Breaking News

কঠোর লকডউনে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহন, ধ’রা খেল চেকপোস্টে!

দিন যতই যাচ্ছে করো’না ততই বেড়ে চলছে। তবে দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না একদল মানুষ। এভাবে চলতে থাকলে করো’না অনেক ভ’য়াবহ রুপ ধারণ করবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এমতাবস্তায় দেশে চলছে লকডাউন। নতুন খবর হচ্ছে, কঠোর লকডাউনে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী পরিবহনের দায়ে চট্রগ্রামের আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অ্যাম্বুলেন্স আ’ট’ক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দুপুর কর্ণফুলী উপজে’লার মইজ্জারটেক চেকপোস্ট এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি আ’ট’ক করা হয়। পরে উপজে’লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুকান্ত সাহা ভ্রাম্যমাণ আ’দালত পরিচালনা করে ১ হাজার টাকা জ’রিমানা করেন।

 

জানা গেছে, আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সটি সকালে মেডিক্যাল স্টাফ নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসে। ফিরে যাওয়ার সময় চালক কয়েকজন যাত্রী ওঠায়। পরে মইজ্জারটেক এলাকায় বসানো চেকপোস্টে তল্লা’শির মুখে পড়লে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি আ’ট’ক করে পু’লিশ।

 

কর্ণফুলী উপজে’লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুকান্ত সাহা বলেন, যাত্রী নেওয়ার দায়ে আনোয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সটি পু’লিশ আ’ট’ক করে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাড়ি হওয়ায় রোগীদের কথা ভেবে করে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হবে।

 

তবে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের সবকিছু ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। তার বি’রুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি আনোয়ারা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তাকেও অবহিত করা হয়েছে।

 

 

আট;কের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোশতাক আহমেদ বলেন, ‘শুনেছি মঙ্গলবার রাতে ডা. মিথিলার কাছে একটি কাজে মঈনুল হোসেন যাওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের বাইরে থেকে তালা;ব;দ্ধ করে আ;টকে রাখেন। এরপর বুধবার থেকে মিথিলা ছুটির দরখাস্ত দিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন।’

 

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে চাটখিল বাজারের খোকন ভিডিওর গ;লিতে পপুলার মডেল ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় ডা. ফারহানা খানম মিথিলার ভাড়া বাসায় তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা মো. মঈনুল হোসেনকে ‘আ;পত্তি;কর’ অব;স্থায় আ;টক করা হয়। পরে তালা দে;য়া কয়ে;কজনের সঙ্গে সম;ঝোতা করে মঈনুল হোসেন সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

 

 

 

স্বজনরা জানান, বুধবার দুপুরে সুমির পে’টব্য’থা দেখা দেয়। পরে তাকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান স্বজনরা। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে কিছু পরীক্ষা-নিরী’ক্ষা শেষে তাকে হাসপাতালের সাধারণ মহিলা ওয়ার্ডে রাখেন নার্সরা। তবে তার অবস্থা আশ’ঙ্কাজ’নক ছিল। মেয়ের এমন অবস্থা দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার নিতে চিকিৎসক-নার্সদের কাছে তাগিদ দেন সুমির মা রাহেনা বেগম ও বাবা মন্নান মিয়া। কিন্তু তাদের কথা কানে নেননি তারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে আরো অ’বন’তি হলে সুমিকে ই’নজে’কশন পু’শ করেন সিনিয়র নার্স অনিতা সিনহা ও মিডওয়াইফ রত্না মণ্ডল।

About admin

Check Also

চালক প্রাণ দিয়েও ডাকাতদের কবল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না বাস

গাইবান্ধা জেলার সীমানা চম্পাগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি নৈশকোচে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.