Breaking News

কবিরাজের পরামর্শে শিশুকে ফিটকিরি মেশানো পানি খাওয়ান মা, পরে মৃ;ত্যু!

চিকিৎসার নামে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ফিটকিরি মেশানো পানি খাইয়ে আখি নামে দেড় মাস বয়সের কন্য সন্তানকে হ,ত্যা করেছে তার মা আদুরি। শনিবার পুলিশের কাছে সন্তান হ,ত্যার দায় স্বীকার করলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চান্দারপাড়া গ্রামের আদুরি খাতুনের (২৩) প্রায় ৭ বছর আগে বিয়ে হয় পারধুনট গ্রামের আসিম প্রামানিকের সঙ্গে। দেড় মাস আগে তাদের দাম্পত্য জীবনে জন্ম নেয় আখি খাতুন। জন্ম থেকে অসুস্থ আখিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সুস্থ না হলে ১৬ জুলাই বিকেলে আখিকে নিয়ে চান্দারপাড়া গ্রামে ফিরে আসে আদুরি।

 

গ্রাম্য কবিরাজের পরামর্শে আখিকে ফিটকিরি মেশানো পানি সেবন করায় আদুরি। এ সময় মায়ের কোলেই মৃ,ত্যু হয় আখির। তখন আদুরি বাড়িতে টয়লেটের কুপে ফেলে দেয় আখির লা,শ। সংবাদ পেয়ে ২৩ ঘণ্টা পর ১৭ জুলাই বিকেলে আখির লা,শ উ,দ্ধার করে পুলিশ।

 

এঘটনায় নি,হ,তের বাবা অসিম বাদী হয়ে ১৮ জুলাই থানায় মামলা করেছে। তবে মামলায় কোনো আ,সামির নাম উল্লেখ নেই। কিন্ত আখির লা,শ উ,দ্ধারের পর থেকেই পুলিশের স,ন্দে,হের তীর আদুরির দিকে। ঘটনাটি তদন্তের একপর্যায়ে শুক্রবার বিকেলে আদুরিকে গ্রে,প্তার করেছে পুলিশ।

 

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সন্তান হ,ত্যার দায় স্বীকার কারায় আদুরি খাতুনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ হ,ত্যাকা,ণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জ,ড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

 

 

aro porun:

 

একদিকে পূর্ণিমার তিথি অন্যদিকে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই দুয়ে মিলে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর নিম্নাঞ্চলসহ সংস্কারহীন ভাঙা বাঁধ দিয়ে লোকালয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে অরক্ষিত লোকজন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পূর্ণিমার তিথি শুরু আগেই লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবার দুপুরের জোয়ারে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন, দক্ষিণ চরমোন্তাজ, নয়ারচর, চরআণ্ডা ও ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া লঞ্চঘাট এলাকার ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকেছে।

 

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ছোবলে ওই পাঁচ এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। এ ছাড়া চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের বাঁধ অনেক আগ থেকেই ভেঙে আছে। এ বাঁধগুলো সংস্কার না করায় জোয়ারের পানি বাড়লেই লোকালয় প্লাবিত হয়ে পানিবন্ধি হয়ে পড়ে লোকজন।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, উপজেলার ১৪ কিলোমিটার ভাঙা বাঁধের আপদকালীন জরুরি ৩ কিলোমিটার সংস্কার করা হয়েছে। তার মানে তাদের এ তথ্যই বলছে এখনও ১১ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কার হয়নি।

কোড়ালিয়া লঞ্চঘাট এলাকার বাসিন্দা তালাশ হাওলাদার বলেন, কোড়ালিয়ার এটি কেউ বলে বাঁধ, কেউ বলে রাস্তা। তবে যাই হোক, এটি ভাঙা থাকায় জোয়ারের পানি বাড়লে কষ্টের কোনো শেষ থাকে না আমাদের। একটু জোয়ারের পানি বেশি হলেই এখানে পানি ঢোকে। আজকেও জোয়ারের পানি ঢুকছে।

 

দুর্গম চরমোন্তাজ থেকে আইয়ুব খান বলেন, ‘আজকে দুপুরে চরবেষ্টিন, দক্ষিণ চরমোন্তাজ ও নয়ারচরে জোয়ারের পানি ঢুকছে ভাঙা বাঁধগুলো দিয়ে। ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত না করায় এই পূর্ণিমায় কয়েকদিন ওইসব গ্রামে জোয়ারের পানি ঢুকবে। ভোগান্তিতে পড়বে মানুষ।

About admin

Check Also

চালক প্রাণ দিয়েও ডাকাতদের কবল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না বাস

গাইবান্ধা জেলার সীমানা চম্পাগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি নৈশকোচে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.