Breaking News

করোনায় এক শ্ম’শানেই ২১ ট্রাক চি’তাভ’স্ম! পার্ক তৈরি করতে চায় প্রশাসন!

ভারতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আগের সব রেকর্ড ভে,ঙে দিয়েছে। দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে বিদ্যুতের গতিতে মৃ,ত্যু মিছিল বেড়েছে। মা,রা গেছেন লাখ লাখ মানুষ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে ক,বরস্থানে মৃ,তদে,র জায়গা হচ্ছিল না। শ্ম,শানে দিন-রাত চু,ল্লি জ্বা,লিয়েও দা,হ শে,ষ করা যা,য়নি। গঙ্গা-যমুনার মতো নদীতে ক,ভিড রো,গীদের মৃ,তদে,হ ভে,সেছে কো,থাও, তো কোথাও বালির স্তূ,পে মি,লেছে মৃ,তদে,হ!

 

মৃ,তদে,হের মতোই দা,হের পর জ,মতে থাকে চি,তাভ,স্ম। ক,ভিড বি,ধির কারণে অনেক পরিবারই তা নিয়ে পা,নিতে ভা,সাতে পারেননি। এই চি,তাভ,স্মকেই এবার কাজে লাগাতে চায় ভোপাল প্রশাসন। এগুলো দিয়ে ক,ভিডে মৃ,তদে,র স্মৃ,তিতে একটি পার্ক তৈরি করতে চায় তারা।

 

ভোপালের ভাদভাদা বিশ্রাম ঘাটে ১৫ মার্চ থেকে ১৫ জুন, এই তিন মাসে ৬ হাজার দে,হ পো,ড়ানো হয়েছে। এখন সেখানে কমপক্ষে ২১ ট্রাক চি,তাভ,স্ম প,ড়ে রয়েছে। কঠিন বিধির কারণে পরিবারের লোক তা নিতে আ,সতে পা,রেননি। এই চি,তাভ,স্ম দিয়ে ১২ হাজার বর্গফিটের পার্ক তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে শ্ম,শান ক,মিটি।

 

শ্ম,শান ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মমতেশ শর্মা জানান, অনেক পরিবারই কোনোমতে অ,স্থি নিয়ে গেছেন। কিন্তু চি,তাভ,স্ম নিতে পারেননি। সেগুলো নর্মদায় ফেললে দূ,ষণ বাড়বে। তাই এই ছাইয়ের সঙ্গে মাটি, গোবর, কাঠের গুঁড়ো, বালি মিশিয়ে পার্ক তৈরি করা হবে। সেই পার্কে বৃ,ক্ষরোপণ করা হবে। মৃ,তের পরিবার চাইলে প্রিয়জনের স্মৃতিতে চারা রোপণ করতে পারবেন। ৫ থেকে ৭ জুলাই এই গাছ রোপণের সময় পাবেন তারা।

 

মমতেশ শর্মা আরো জানান, এই পার্কে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ হাজার চারা রোপণ করা হবে। সেগুলোর বৃক্ষে পরিণত হতে ১৫ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। এক্ষেত্রে জাপানের ‘মিয়াওয়াকি’’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এই প্রযুক্তিতে ঘন অরণ্য তৈরি করা যায় সহজেই।

 

সূত্র : এনডিটিভি

 

 

হিন্দু ধ’র্ম ত্যা’গ করে ইসলাম গ্রহণ করা আমেনার ক’রুণ এই গল্পে কাঁ’দ’বেন আপনিও প’ড়েই দেখু’ন। মৃ’ত দাদীকে চিতায় তুলে দিয়ে আ’গু’নে পো’ড়া’নো হচ্ছিল। আর এই দৃ’শ্য দেখছিল ১১ বছর ব’য়সী নাবালিকা কৃষ্ণা ব্যানর্জি।

 

এমন দৃ’শ্য দেখে আ’ত’ঙ্কি’ত হয়ে ঘর ছাড়েন এই বালিকাটি। কৃষ্ণা সেদিন ঘর ছে’ড়ে তার এক মু’সলিম বান্ধবীর বাড়িতে গিয়ে হিন্দু ধ’র্ম ত্যা’গ করে ইসলাম ধ’র্ম গ্রহণ করেন এবং তার নাম রাখেন আমেনা বেগম। ঘ’টনাটি ১৯৮৯ সালের মানিকগঞ্জে’র এক পাড়াগাঁয়ের।বর্তমান সেই আমেনা বেগমের ব’য়স ৩৫ বছর।

 

সেদিন তিনিঅনেকটা না বুঝেই শুধুমাত্র নিজ ধ’র্মের সৎকার রীতির ভ’য়া’ব’হতা থেকে মু’ক্তি পেতেই ইসলামের দিকে ধা’বিত হয়েছিলেন। এর ফলে পৈত্রিক সম্পত্তি, আত্মীয়-স্বজন সবকিছুর মায়া ত্যা’গ ক’রতে হয়েছিল তার।এরপর ওই বান্ধবীর পরিবারের সহায়তায় ভর্তি হন ঢাকার কাম’রাঙ্গীরচর ম’হিলা মাদ্রাসায়।

 

সেখানে স্বল্প সময়েই নওমু’সলিম আমেনা বেগম হয়ে উঠেন একজন কুরআনের হাফেজ। মাদ্রাসায় পড়াকলিন সময় সেখানকার হুজুরদের মধ্যস্থতায়ই আমেনার বিয়ে হয় নোয়াখালি সন্দ্বীপের হাফেজ বদিউল আলমের স’ঙ্গে ।ধ’র্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সু’খের সংসার ছিল তাদের। কিন্তু ২০০৮ সালে এক সড়ক দু’র্ঘ’ট’নায় মৃ’’ত্যু হয় তার স্বা’মী বদিউল আলমের।

 

স্বা’মীহারা বিধবা নওমু’সলিম আমেনা বেগম ফের একা হয়ে পড়েন। কোথায় থাকবেন, কার কাছে যাবেন এ নিয়ে দু’শ্চি’ন্তায় পড়ে যান। এ অবস্থায় ঢাকা বায়তুল মোকাররম এলাকায় তার স’ঙ্গে পরিচয় হয় গুলশানের অভিজাত এলাকার এক ধ’নাঢ্য বৃ’দ্ধার স’ঙ্গে । তার বাসার পরিচারিকা হিসেবে নিযুক্ত হন আমেনা বেগম।প্রায় সাড়ে তিন বছর ওই বৃ’দ্ধাকে আপন মায়ের মতই সেবা করেন তিনি।

 

এক পর্যায়ে ওই বৃ’দ্ধাও ই’ন্তেকাল করেন।বৃ’দ্ধার ইন্তেকালের পর তার স’ন্তানেরা এই স্বজনহারা হাফেজা নওমু’সলিমের আর খোঁ’জ নেননি। অবলম্বনহীন এই পর্দানশীন হাফেজা না’রী পরবর্তীতে জনৈক ব্য’ক্তির সহায়তায় চলে যান সাভারের রাজ ফুলবাড়িয়া এলাকায়। সেখানে এক বাড়ির শি’শুদের কুরআন শেখানো ও গৃহস্থলির কাজে’র বিনিময়ে আশ্রয় মেলে তার। বর্তমান সেখানেই আছেন তিনি।

 

দুই যুগ আগে স্বেচ্ছায় ধ’র্মান্ত’রিত মু’সলিম আমেনা বেগম বলেন, কোনো লোভে মু’সলমান হইনি। আল্লাহই আমাকে মু’সলমান বানিয়েছেন। আমা’র মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন সবাইকে ছেড়ে এসেছি আমি।২৪ বছর ধ’রে মু’সলমান সমাজেই কে’টেছে আমা’র জী’বন। এখন এটাই আম’রা সব।

About admin

Check Also

এক দিনে ১ কোটি লোককে টিকা দিল ভারত

ভারত শুক্রবার একদিনে প্রথমবারের মতো ১০ মিলিয়নের বেশি ভ্যাকসিন দিয়েছে। আজ শনিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, …

Leave a Reply

Your email address will not be published.