Breaking News

করোনা আক্রান্ত হিন্দু মৃ’ত ব্যক্তির সৎ’কারে মুসুল্লিরা…

কামরুজ্জামান জসিম, মোংলা থেকে: এক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সৎ,কারে এগিয়ে এলেন মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মোঃ কামরুজ্জামান জসিম। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকালে মৃ,ত ব্যক্তির স্বজনরা জানান সৎ,কারের জন্য পিপিই এর অভাবে সৎ,কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সাথে সাথে তিনি পিপিই নিয়ে ছুটলেন সেখানে এবং ভ,য়ড,রহীন ভাবে মৃ,ত ব্যক্তির স্বজনদের সঙ্গে সৎ,কারের সহযোগিতা করলেন ।

 

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন , মানুষ মানুষের জন্য , আমি আমার দায়িত্ববোধ থেকে মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করছি । পাশাপাশি তিনি সবাইকে করোনায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন । উল্লেখ্য যে, করোনা ম,হামারীর শুরু থেকেই তিনি মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছেন।

 

শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক মোংলা প্রতিষ্ঠা করে মোংলাবাসীর অক্সিজেনের চাহিদা পুরন করছেন। এক পর্যায়ে তিনি নিজেও করোনা আ,ক্রান্ত হয়ে মৃ,ত্যুর মু,খোমুখি হয়েছিলেন । সেখান থেকেই তিনি আবারও এ জনপদের মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন ।

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের মৃ’ত আব্দুল হাকিমের মে’য়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে বুড়িচং উপজে’লার দেবপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছে’লে আরিফ হোসেনের বিয়ে ঠিক হয়। আগামীকাল শুক্রবার দুপুরে বরযাত্রী আসার কথা রয়েছে।

 

এ ব্যাপারে কণের ভাই মো. সোহেল আহমেদ বলেন, আমাদের তিন ভাইয়ের আদরের একমাত্র ছোট বোন, তাই ভালো বর পেয়ে হাতছাড়া করতে চাইনি। সখের বসে গেইট থেকে নানা আয়োজনে ঘাটতি রাখিনি। করো’নার কারণে খুব বেশী লোকের আয়োজন করিনি। বরযাত্রীসহ শ খানেক লোকের আমন্ত্রণেই বিয়ে সম্পন্ন করতে চেয়েছিলাম। প্রশাসনের বাধার মুখে এখন ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে সম্পন্ন করে নেব।

 

দেবীদ্বার উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা রাকিব হাসান বলেন, বিয়েটা শুক্রবার হওয়ার কথা ছিল, এ করো’নাকালে বিয়ের আয়োজনের সংবাদে কণের পক্ষকে অ’তিথি সমাগম না করে এবং তাদের রান্নার আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছি। দুপক্ষের কয়েকজনকে নিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করার কথা বলে এসেছি।

 

ততক্ষণের চায়ের কেটলি লুকিয়ে ফেলা হয়েছে। দোকানের ওপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সামনে পুরি-চপ বানানোর দোকানও প্রায় ফাঁকা। মোহাম্মদপুর থানার তিন পুলিশ সদস্য গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে থাকা রিকশা ও দোকানের কর্মচারীদের দোকান বন্ধ করতে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। এসময় দশটিরও বেশি পুলিশের গাড়িবহর সারি বেঁধে চলে গেলে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের রাস্তা ধরে। এতক্ষণ হম্বিতম্বি করা পুলিশ সদস্য স্যালুট জানিয়ে অপেক্ষা করলেন তাদের চলে যাওয়ার। গাড়িবহর চলে যাওয়ার পরে তার কণ্ঠ নরম হলো। তিনি কিছুক্ষণ সেখানে অপেক্ষা করে চলে যেতেই আবারও সব দোকানের জিনিসপত্র জায়গামতো রাখা হলো। যাওয়ার সময় পুরি চপের দোকানিকে বলে গেলেন, ‘কাউকে যদি বসে খাওয়াইতে দেখসি, দোকান বন্ধ।’

About admin

Check Also

এক দিনে ১ কোটি লোককে টিকা দিল ভারত

ভারত শুক্রবার একদিনে প্রথমবারের মতো ১০ মিলিয়নের বেশি ভ্যাকসিন দিয়েছে। আজ শনিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, …

Leave a Reply

Your email address will not be published.