Breaking News

কাল বিয়ে, স্বপনের দে’হ এখন ম’র্গে….!

বিয়ের কেনাকাটা শেষ। বৃহস্পতিবার ছিল মজিবুর রহমান স্বপনের গায়েহলুদ। শুক্রবার বিয়ে। তবে গতকাল দুপুর থেকে বন্ধ পাওয়া যায় তার মোবাইল নম্বর। এতে চিন্তিত হয়ে পড়ে পরিবার। পরে খোঁ,জ নেওয়া হয় তার ভাড়া বাসায়। সেখানে এসে ডাকাডাকি করেও সাড়া মেলেনি। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।

 

দরজা ভে,ঙে ঘরে প্রবেশ করে পুলিশ। সেখানে চলছে টেলিভিশন। তার সামনেই পড়ে আছে স্বপনের মৃ,তদে,হ। পরে লা,শ উ,দ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল ম,র্গে পা,ঠায় পুলিশ।

 

মৃ,ত মজিবুর রহমান স্বপন কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের আশারকোটা গ্রামের মাওলানা আব্দুল গফুরের ছেলে। কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দিঘিরপার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। সেখান থেকেই তার লা,শ উ,দ্ধার করেছে পুলিশ।

 

আগামীকাল স্বপনের তৃতীয় বিয়ে হওয়ার দিন ধার্য ছিল। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বি,চ্ছেদ এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃ,ত্যুর পর পারিবারিকভাবে আবারও তার বিয়ে ঠিক হয়।

 

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ম,রদে,হে আ,ঘাতের চি,হ্ন না থাকলেও, মুখ থেকে কিছু র,ক্ত বের হয়েছিল। মৃ,তের পরিবারের দাবি, তিনি স্ট্রো,ক করেছেন। তবে এটি স্বাভাবিক মৃ,ত্যু কি না আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

 

 

 

আসামিরা মু,ক্তি পেলে বাদীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ফেসবুকে পৃথক স্ট্যাটাস দেবেন আদালতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আ,সামিপক্ষের আইনজীবী। ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ থাকবে যে, আগের স্ট্যাটাসটি ছিল মি,থ্যা। সামাজিকভাবে হেয় করার জন্যই মি,থ্যা স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী। ভবিষ্যতে আর এরকম কোনো অ,পরাধ করবেন না।

 

এদিকে শুনানিতে আ,সামিপক্ষে আইনজীবী বলেন, এক নম্বর আ,সামির আ,সামি অনু,তপ্ত। ভুল করে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলেছে। জামিন চাচ্ছি। এসময় আদালত বলেন, ফেসবুকে যেটা লিখেছেন সেটা একজন মানুষকে গু,লি করে খু,ন করার চেয়ে বড় অ,পরাধ। একজন মানুষকে সামাজিকভাবে হেয় করা কি যেনতেন কথা! এসময় আইনজীবী বলেন, যার বি,রুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন জামিন আবেদনকারীরা।

 

এসময় আদালত বলেন, আপনি এখন এসে বলছেন যে মি,থ্যা স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এখন ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইলে হবে? আপনিতো সারা দুনিয়ার মানুষের সামনে তাদের হেয় করলেন। আপনি যার সম্পর্কে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার সন্তানের সামনে তারা মুখ দেখাবে কি করে? আদালত বলেন, মানুষের সামনে কোনো একজন ব্যক্তিকে রাস্তায় লাথি মারলেন, এরপর গোপনে এসে তার পা ধরে মাফ চাইলে কি হবে? এ ঘটনাও তেমনি। আপনি মি,থ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে যেমন তাদের সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে হেয় করেছেন, তেমনি আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে জানাবেন যে আপনি মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।

 

এসময় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী জামিনের আদেশে এই শর্ত উল্লেখ করার আবেদন জানান। আদালত তা দিতে রাজি না হয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, লিখিতভাবে আদেশে দিচ্ছি না। তবে আপনি পৃথক স্ট্যাটাস দেওয়াটা নিশ্চিত করবেন। জবাবে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, মুক্তির পর ক্ষমা চেয়ে পৃথক স্ট্যাটাস দিবো।

 

জানা যায়, মামলার বাদীর স্বামী ও আসামি আকতারুজ্জামান উভয়েই গ্রামীন ব্যাংকের কর্মকর্তা। দুইজনেই বরগুনা সদরের রায়তা শাখায় কর্মরত ছিলেন। আসামি আখতারুজ্জামান সেখান থেকে বদলী হয়ে এখন আমতলী শাখায় দায়িত্বরত। মো. আকতারুজ্জামানের সহকর্মীর স্ত্রী (মামলার বাদী) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। উভয় পরিবারের বিরোধের জের ধরে মো. আকতারুজ্জামানের স্ত্রী তামান্না বেগম স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গত ১৩ মে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা বাদী হয়ে আকতারুজ্জামান ও তার স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করে গত ৪ জুন বরগুনা সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এ মামলার পর ওইদিনই পুলিশ আকতারুজ্জামান ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। সেই থেকে তারা কারাবন্দী। এ অবস্থায় ওই দম্পতি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

 

 

 

জিববর্ষ উপলক্ষে একাধিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সমন্বয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গরিব অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পটিতে পৃথকভাবে কোনো অর্থ বরাদ্দ না দিয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগকে সমন্বিত করে ঘর বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কাজটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) নেতৃত্বাধীন একটি কমিটিকে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন উপজেলা প্রকৌশলী, এসি ল্যান্ড, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।

About admin

Check Also

চালক প্রাণ দিয়েও ডাকাতদের কবল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না বাস

গাইবান্ধা জেলার সীমানা চম্পাগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি নৈশকোচে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.