Breaking News

জেলখানায় হবে বিয়ে, শিশু পেল পিতৃপরিচয়!

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের একটি আদেশের ফলে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি সংসার। ভুক্তভোগী সেলিনা বেগম স্ত্রীর স্বীকৃতি এবং শারীরিক সম্পর্কের ফলে জন্ম নেওয়া তিন মাসের সন্তান পিতৃপরিচয় পেতে যাচ্ছে।

 

একই আদেশে আসামি দিদারুল ইসলাম ওরফে শকুকে জামিন দিয়ে জেল সুপারের উপস্থিতিতে কারাগারে বিয়ের আয়োজন করতে কক্সবাজার জেল কর্তৃপক্ষকে (জেল সুপার) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী আসামি দিদারম্নল ইসলামের সাথে মামলার বাদী সেলিনা বেগমের বিয়ে পড়াতে বলা হয়েছে। এর পর দিদারম্নলকে মুক্তি দিয়ে আদালতকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

 

গতকাল সোমবার চকরিয়া জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক রাজীব কুমার দেব দিয়েছেন এই আদেশ।

 

মামলার বাদী ভুক্তভোগী সেলিনা বেগমের কৌঁসুলী চকরিয়া জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের আইনজীবী মো. মিজবাহ উদ্দিন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সেলিনা বেগম আদালতের এই আদেশের ফলে মহাখুশি।

 

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি আদালত এবং বিচারকের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি কল্পনাও করিনি অল্প সময়ের মধ্যে আমি এই ধরনের আদেশ পাবো। বিচারকের মহানুভবতার কারণে আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি এবং আমার তিন মাসের পুত্র মো. তামিম পিতৃপরিচয় পেয়ে গেছে। এজন্য আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে দুই হাত তুলে দোয়া করেছি বিচারকের জন্য।’

 

 

ফেনীর ফরহাদ নগর গ্রামের ভোরবাজারের পাশ্ববর্তী সৌদি প্রবাসী শহিদ উল্লাহ’র স্ত্রী’ নাজমা বেগমকে (৩৬) চৌদ্দ বছরের একটি পুত্র সন্তানসহ বছর খানেক আগে বিয়ে করেন সৌদি প্রবাসী শহিদ উল্লাহ। ইতিপূর্বে তিনজনের সাথে সংসার করেন নাজমা। কিন্তু বছর না যেতেই একই গ্রামের এক কন্যা সন্তানের জনক মোশাররফ হোসেনের (৩৫) সাথে পা’লি’য়ে যান নাজমা বেগম।

 

ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী’ ফারহানা আহমেদ জানান, তার স্বামী বা’রই’য়াহা’টে হার্ড’ওয়া’রের ব্যবসা করেন। বাবার দেয়া ব্যবসার পুঁ’জি ও ভাইদের থেকে ধা’র করা অন্তত ৫০ লক্ষ টাকা আর পাশের গ্রামের নাজমা ও তার প্রবাসী স্বামীর ২০ ভরি স্বর্ণা’লংকার ও অর্ধকো’টি নগদ টাকা নিয়ে দু’জনে পা’লি’য়ে গেছেন।

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জেনেও রোগী দেখেছেন এক চিকিৎসক। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের হলি ল্যাব হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তিন সদস্যের কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বুধবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। কমিটির সদস্যরা হলেন- সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান ও মেডিকেল অফিসার ডা. ইনজামুল হক।

 

তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা দিয়েছেন ডা. শ্যামল রঞ্জন দেবনাথ। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হলি ল্যাব হাসপাতাল নিয়ে তদন্ত করতে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

 

শ্যামল রঞ্জন দেবনাথ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট অর্থোপেডিক চিকিৎসক। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের কুমারশীল মোড়ের হলি ল্যাব হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেন। দুই দফায় নমুনা পরীক্ষায় শ্যামল রঞ্জন দেবনাথের করোনা পজিটিভ হয়। তাই হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে তাকে আইসোলেশনে থাকতে ছুটি দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি আইসোলেশনে না থেকে শরীরে করোনা নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছিলেন।

About admin

Check Also

র‍্যাবের অভিযানে প্রায় ৫০০ দালালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ

সারা দেশে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়, পাসপোর্ট অফিস ও হাসপাতালে দালালদের ধরতে একযোগে অভিযান …

Leave a Reply

Your email address will not be published.