Breaking News

নবীগঞ্জে ক্যা’ন্সার আ’ক্রান্ত মাকে ছেলের নি’র্যাতন!

বাবা নেই। মা ক্যান্সারের আক্রান্ত। একটা বোন অল্প আয়ে অ,তিক,ষ্টে সংসার চালান। কিন্তু টাকার জন্য প্রায়ই এই অসুস্থ মা ও উপার্জনকারী বোনকে প্র,হার ও গা,লিগা,লাজ করেন বুলবুল আহমেদ (২২)। এই অ,ত্যাচা,র এবং নি,র্যাতন স,হ্য করতে না পেরে মা ও বোন লিখিত অ,ভিযোগ দেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিনের কাছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সোমবার বিকেলে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও পুলিশ নিয়ে অ,ভিযান পরিচালনা করেন উপজেলার কামারগাঁও গ্রামে। বাড়ি থেকেই গ্রে,প্তার করা হয় বুলবুল আহমেদকে। পরে দ,ণ্ডবি,ধির ৩৫৫ ধারায় বুলবুলকে ৬ মাসের বি,নাশ্রম কা,রাদ,ণ্ড দিয়ে কারাগারে প্রে,রণ করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, একমাত্র ছেলেটিকে মানুষ করতে না পেরে অ,ত্যাচা,র ও অ,পমান স,হ্য করতে না পেরে মা বোন অ,ভিযোগ দেন। পরে স্থানীয়ভাবেও অ,ভিযো,গের সত্যতা পাওয়া যায়। তাই এই দ,ণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে। বুলবুল আহমেদের বাবা মোস্তফা মিয়ার মৃ,ত্যুতে এমনিতেই পরিবারের বে,হলা দ,শা, তার ওপর মা অসুস্থ। তাই মা,নবিকভা,বেই বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে অ,ভিযান পরিচালনা করি।

 

 

 

করোনা মহামারিতে দারিদ্র্যের মুখে পড়েছে লাখ লাখ ভারতীয়। জীবিকা নির্বাহের জন্য এখন তারা নিজেদের শেষ সম্বল সোনার গহনাও বিক্রি করে দিচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ ভারতে এই দুর্দশা সবচেয়ে প্রকট। তাদের আয়ের পথ রুদ্ধ এবং ক্রয়ক্ষমতাও নিঃশেষ হয়ে গেছে। আশে পাশে ব্যাংক কম থাকায় তারা খুবই কম দামে নিজেদের গহনা বিক্রি করে নগদ টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

 

লন্ডনভিত্তিক মেটালস ফোকাস লিমিটেড-এর কন্সালট্যান্ট চিরাগ শেঠ বলেন, করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের কারণে আর্থিক সঙ্কটের আশঙ্কা অনেক বেশি। গ্রাহকরা তাদের সোনার গহনা বন্ধক দিয়ে ও বিক্রি করে নগদ টাকা সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন। সংগৃহীত পুরনো সোনার পরিমাণ ২১৫ টন পর্যন্ত হতে পারে। এসব সোনাকে গলিয়ে নতুন রূপে পরিবেশন করা হবে। শেঠ আরো বলেন, গত বছর মহামারিতে আপনি আর্থিক সঙ্কটে পড়ে সোনা বন্ধক দিয়ে সাংসারিক খরচ সামলেছেন। মহামারি কেটে গেলে চলতি বছর আপনি সেগুলো পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করতে পারতেন।

 

কিন্তু চলতি বছর তা আরো জেঁকে বসেছে। আপনাকে সম্ভাব্য তৃতীয় তরঙ্গের আশঙ্কায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। লকডাউনে আপনার চাকরি চলে যেতে পারে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে যখন প্রকৃত অর্থেই করোনার তৃতীয় ঢেউ চেপে বসবে, তখন লোকজন আরো সোনা বিক্রি করতে বাধ্য হবে। অনেক ভারতীয়, যারা দারিদ্র্যসীমা থেকে ওপরে ছিলেন, তারা লকডাউনের কবলে পড়া পঙ্গু অর্থনীতির কারণে ফের চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়তে যাচ্ছেন। ২০ কোটি মানুষের দৈনিক আয় ৫ ডলারের নিচে নেমে গেছে।

 

পল ফার্নান্দেজ নামের একজন ৫০ বছর বয়সী ওয়েটার বলেন, গত বছর লকডাউনে চাকরি চলে যাওয়ার পর ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ মেটানোর জন্যে সোনা বন্ধক দিয়ে নগদ টাকা নিয়েছিলাম। কিন্তু চলতি বছর আরেকটি চাকরি পাওযার চেষ্টায় এবং হোম বিজনেসের সন্ধানে সোনাগুলো বিক্রি করে দিয়েছি। কারণ সোনাগুলো ফের ছাড়িয়ে আনার ক্ষমতা আমার নেই এবং এগুলোর সুদও পরিশোধ করতে পারছিলাম না।

About admin

Check Also

চালক প্রাণ দিয়েও ডাকাতদের কবল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না বাস

গাইবান্ধা জেলার সীমানা চম্পাগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি নৈশকোচে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.