Breaking News

নারী চিকিৎ;সকের বাসায় ‘আপ;ত্তিকর’ অবস্থায় আ;টক আ;ইসিটি কর্মকর্তা!

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা খানম মিথিলা ও তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা (সহকারী প্রোগ্রামার) কাজী মঈনুল হোসেনকে ‘আ;পত্তি;কর অব;স্থায়’ পাওয়া গেছে বলে অ;ভিযো;গ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাতে এ ঘটনার পর থেকে অভি;যুক্ত দুইজ;ন কর্মস্থলে অ;নুপস্থিত রয়েছেন।

 

আট;কের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোশতাক আহমেদ বলেন, ‘শুনেছি মঙ্গলবার রাতে ডা. মিথিলার কাছে একটি কাজে মঈনুল হোসেন যাওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের বাইরে থেকে তালা;ব;দ্ধ করে আ;টকে রাখেন। এরপর বুধবার থেকে মিথিলা ছুটির দরখাস্ত দিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন।’

 

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে চাটখিল বাজারের খোকন ভিডিওর গ;লিতে পপুলার মডেল ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় ডা. ফারহানা খানম মিথিলার ভাড়া বাসায় তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা মো. মঈনুল হোসেনকে ‘আ;পত্তি;কর’ অব;স্থায় আ;টক করা হয়। পরে তালা দে;য়া কয়ে;কজনের সঙ্গে সম;ঝোতা করে মঈনুল হোসেন সেখান থেকে বেরিয়ে যান। অভি;যো;গের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা মো. মঈনুল হোসেন বলেন, তিনি মায়ের অসু;স্থতার কারণে ঢাকা;য় অবস্থান করছেন।

 

মঙ্গলবার রাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ডা. মিথিলা আমার পূর্ব পরিচিত ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মায়ের অসুস্থ;তার বিষয়ে তার পরামর্শ নিতে যাই। সেখানে তিনি একা ছিলেন। কথা বলতে বলতে রাত সাড়ে ১০টা বেজে যায়। পরে বের হওয়ার সময় দেখলাম বাইরে থেকে গেটে তালা লাগিয়ে আমাদের অ;বরু;দ্ধ করা হয়েছে।’ তবে তিনি আপ;ত্তি;কর অবস্থায় আ;টক হননি বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে জানতে ডা. ফারজানা খানম মিথিলার মোবাইল ফোনে বারবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। পরে সাংবাদিক পরিচয়ে মেসেজ পাঠানোর পর তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এস এম মোসা (আবু সালেহ মোহাম্মদ মোসা) বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে অ;ভিযুক্ত;রা উপজেলার বাইরে থাকায় এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভি;যো;গ করেনি। তবে তিনি এ ধরনের একটি বিষয় ফেসবুকে দেখেছেন বলে মন্তব্য করেন।

 

 

 

এরপর থেকেই সুমির ন’ড়াচ’ড়া ব’ন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি ডিউটি ডাক্তার মুন্না সিনহা ও নার্সদের জানানো হয়। কিন্তু তারা বলেন- রোগী ঘুমিয়ে আছেন, ডি’স্টা’র্ব করবেন না। বিকেলেও রোগীর ন’ড়াচ’ড়া না দেখে নার্সকে জানালে নার্সরা মুন্না সিনহাকে নিয়ে আসেন। পরে সুমিকে মৃ’ত ঘোষণা করেন তিনি। সুমির মা রাহেনা বেগম বলেন, আমার মেয়ের মৃ’ত্যুর জন্য হাসপাতালের নার্স ও ডিউটি ডা’ক্তারই দা’য়ী। আমরা তাদের বি’চার চাই। ডিউটি ডাক্তার মুন্না সিনহা ও মিডওয়াইফ রত্না মণ্ডল জানান, মৃ’তের স্বজনরা আমাদের কাছে রো’গীকে রেফারের জন্য বলেনি। আমাদের চিকিৎসার মধ্যে কোনো ত্রু’টি ছিল না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সাজেদুল কবির বলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালের কেউ দা’য়ী থাকলে তদ’ন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আমি তাঁর দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলাম। আমার মা-বাবা বলেছিলেন সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হতে—সে যে বর্ণেরই হোক এবং যেখান থেকেই আসুক। তাই আমি তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্বের সিদ্ধান্ত নিলাম। মনে পড়ে, মারিয়াম ছিল ব্যক্তিত্ববান এবং অঙ্ক করার সময় সমস্যায় পড়লে সে আমাকে সাহায্য করত। সপ্তাহে দুইবার আমি ও মারিয়াম আমাদের বাড়িতে লেখাপড়া করতাম। একদিন কোনো কারণে আমাদের বাড়িতে পড়া সম্ভব ছিল না। সে আমাকে তাদের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানাল। আমি আগে কখনো তাদের বাড়ি যাইনি। তার মায়ের সঙ্গে দেখা হবে—এই ভাবনায় আমার ভেতর উত্তেজনা অনুভব করছিলাম।

About admin

Check Also

ছে’লেদের চাইতে মে’য়েরাই বৃ’দ্ধ পিতা-মাতার সেবাযত্ন বেশি করেন!!

স’রকারি চাকুরে মতিন সাহেবের ৫ কন্যা। জ্যোতি, রতি, নীতি, মিতি আর ইতি। ছোট মেয়ের নাম …

Leave a Reply

Your email address will not be published.