Breaking News

নিজের সবচেয়ে দামি জমিটা হাসপাতাল, মাদ্রাসা ও কবরস্থানে জন্য দান করলে ক্রিকেটর রফিক!

বাংলাদেশ ক্রিকে’টে অন্যতম সেরা স্পিনার মোহাম্ম’দ রফিক। প্রায় এক যুগ আগেই ক্রিকেট’কে বিদা বলে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। বর্তমানে নিজের ব্যবসা থেকে আয়-রোজগার করে পরিবার চালাচ্ছেন রফিক। আর উপহার পাওয়া নিজের সবচেয়ে দামি জায়গায় হাসপাতাল-মাদ্রাসা তৈরি করেছেন এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। কেরানীগঞ্জে নিজের সবচেয়ে দামি জায়গা দান করে দিয়েছেন তিনি।

 

আইসিসি ট্রফি জয়ে এই জায়গা উপহার পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটা দান করে দিয়ে সেই জায়গায় তৈরি করা হয়েছে হাসপাতাল, মাদ্রাসা এবং কবরস্থান। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় তৈরি করেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

 

সম্প্রতি বিডিক্রিকটাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রফিক জানান, “আমা’র এক পার্টনারের সাথে মিলে দেড়শ শতাংশ জায়গায় কবরস্থান, ম’সজিদ এবং মাদরাসা বানিয়ে দিয়েছি। আমা’র নিজস্ব জায়গার উপর। এটা কেরানীগঞ্জের সবচেয়ে দামি জমির এলাকা।” “আরও কিছু জায়গা আছে, এর মধ্যে দশ শতাংশ জায়গা ম’সজিদ বানানোর জন্য রেখেছি। আরও দশ শতাংশ জায়গা রেখেছি, ওখানে স্কুল বানিয়ে দিব।”– যোগ করেন এই টাইগার সাবেক ক্রিকেটার।

 

 

 

সারা দেশের মতো নওগাঁয়ও চলছে অঘোষিত লকডাউন। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুরসহ নিম্নআয়ের মানুষ। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী দিলেও তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেকেই পাচ্ছেন না। সাবিয়া বেগমের ভাত শুকানোর দৃশ্য মোবাইলে ধারণের পর ফেসবুকে পোস্ট করে নওগাঁ জে’লা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ খান লিখেছেন, ‘ফেসবুকে ঢুকলেই দেখি ওখানে-সেখানে ত্রাণ বিতরণ হচ্ছে। তবুও আজ এমন দৃশ্য দেখতে হলো। বৃদ্ধাকে ভাত শুকাতে দেখে জিজ্ঞেস করলাম কি করবেন এগুলো দিয়ে? উত্তরে বৃদ্ধা বললেন কাজ নেই, তাই বাজার করতে পারিনি। ঘরে তরকারি নেই, চালও শেষ। তাই নষ্ট হয়ে যাওয়া ভাত শুকাচ্ছি। ভাত শুকিয়ে চাল হলে আবার রান্না করে খাব। এগুলো নষ্ট ভাত। তবুও এই মুহূর্তে জীবন ধারণের জন্য বিকল্প পথ নেই। বাঁচতে হলে এগুলোতেই খেতে হবে। কারণ কেউ আমাদের ত্রাণ দেয় না।

 

রিয়াজ খান আরও লিখেছেন, যারা ত্রাণ বা বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণে নিয়োজিত আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি; আপনারা এই অসহায় মানুষটার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

বৃদ্ধা সাবিয়া বেগম বলেন, গতকাল রাতে এক প্রতিবেশী ভাত দিয়েছেন। রাতে কিছু খেয়ে রেখে দিয়েছি। সকালে দেখি ভাত নষ্ট হয়ে গেছে। ওই নষ্ট ভাত পানিতে পরিষ্কার করে রোদে শুকাতে দিয়েছি। ভাত শুকিয়ে চাল হলে পরে রান্না করে খাব। গতে কয়েকদিন থেকে ঘরে বাইরে যেতে পারিনি। ঘরে কোনো খাবার নেই আমা’র। খুব ক’ষ্ট করে চলছি। খেয়ে না খেয়ে দিন কা’টাচ্ছি।

 

একই কলোনির বিলকিস, চেলি ও নাইচ বেমগ বলেন, কলোনিতে যারা বসবাস করে এদের কেউ স্বামীহারা, কারও স্বামী অ’সুস্থ, কেউ রিকশা ও ভ্যানচালক। করোনা আসার পর থেকে আমাদের গজব শুরু হয়েছে। মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করে জীবন চলত। এক সপ্তাহ ধরে কাজ বন্ধ। শুনতেছি বিভিন্ন জায়গায় ত্রাণ দেয়। কিন্তু আমাদের মহল্লার কেউ তো পেল না। খুব ক’ষ্ট করে চলছি আম’রা।

About admin

Check Also

কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা হতে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার?

জাপানের রাজধানী টোকিওতে চলছে অলিম্পিক প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতার ফুটবল ইভেন্টে খেলছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-জার্মানির মতো দলগুলো। প্রতিযোগিতার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.