Breaking News

প্রথম বাংলাদেশে ৩০ পারা কোরআন হাতে লিখলেন বরিশালের হুমায়ুন

বাংলাদেশের তরুণ হুমায়ুন কবির সুমন ৩০ পারা পুরো কুরআন হাতে লিখলেন। এর আগে বিশ্বের বহু দেশে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার খবর পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে এমন ঘটনা এই প্রথম। এদিকে, হুমায়ুন কবির সুমনের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বারড়িয়া গ্রামে। হুমায়ুন কখনো মাদ্রাসা পড়েননি। আরবি শিখতে তার সময় লেগেছে মাত্র ৩ বছর।

 

গত ১৯৯৯ সালে এসএসসি পাস করার পর হুমায়ুন কোরআনুল কারিম লেখার উদ্দেশ্যেই আরবি লেখা শেখেন। এর পরে ২০০৭ সালে পবিত্র কুরআন হাতে লেখা শুরু করেন। মাত্র ৩ বছরের ব্যবধানে ২০১০ সালে পুরো কোরআন লেখা সম্পন্ন করেন হুমায়ুন।

 

নিজ ইচ্ছায় আরবি লেখা শিখে কোরআন লেখা এবং পৃষ্ঠা বিন্যাস ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ক্যালিওগ্রাফিও ব্যবহার করেছেন তিনি। বরিশালের তরুণ হুমায়ুন বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কুরআনে পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে চান। বর্তমানে ঢাকার গাউছিয়া মার্কেটের একটি শোরুমের সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন হুমায়ন।

 

 

৭০ বছরের বৃদ্ধা সাবিয়া বেগম। থাকেন নওগাঁ শহরের বাঙ্গাবাড়িয়া বিহারি কলোনি মহল্লার ছোট যমুনা নদীর গাইড ওয়াল-সংলগ্ন সরকারি জমিতে। সেখানে ঝুপড়ি ঘরে গত কয়েক বছর ধরে বসবাস করছেন তিনি। স্বামী নুরু মিয়া মা’রা গেছেন ২৫ বছর আগে।

 

মে’য়ের বয়স যখন আট মাস তখন স্বামী মা’রা যান। বিভিন্ন জনের বাড়িতে কাজ করে জীবন চলত তার। মে’য়েকে বিয়ে দেয়ার পর এখন একা থাকেন। বয়স হয়ে যাওয়ায় এখন আর কাজ করতে পারেন না। ভিক্ষা করে দিন চলে তার।

 

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে উত্তপ্ত রোদে বিহারি কলোনি মাঠে একটি টিনের ওপর নষ্ট ভাত শুকাচ্ছেন তিনি। এমন দৃশ্য দেখে নওগাঁ জে’লা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ খান মোবাইলে ছবি তুলে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন। বিষয়টি দেখে অনেকেই ম’র্মাহত হন।শুধু সাবিয়া বেগম নন, ওই কলোনির প্রায় ২০-২৫টি পরিবারের একই অবস্থায় দিন কাটছে। করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তাদের জীবন ধারণ। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের।

 

সারা দেশের মতো নওগাঁয়ও চলছে অঘোষিত লকডাউন। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুরসহ নিম্নআয়ের মানুষ। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী দিলেও তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেকেই পাচ্ছেন না।

 

সাবিয়া বেগমের ভাত শুকানোর দৃশ্য মোবাইলে ধারণের পর ফেসবুকে পোস্ট করে নওগাঁ জে’লা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ খান লিখেছেন, ‘ফেসবুকে ঢুকলেই দেখি ওখানে-সেখানে ত্রাণ বিতরণ হচ্ছে। তবুও আজ এমন দৃশ্য দেখতে হলো। বৃদ্ধাকে ভাত শুকাতে দেখে জিজ্ঞেস করলাম কি করবেন এগুলো দিয়ে? উত্তরে বৃদ্ধা বললেন কাজ নেই, তাই বাজার করতে পারিনি। ঘরে তরকারি নেই, চালও শেষ। তাই নষ্ট হয়ে যাওয়া ভাত শুকাচ্ছি। ভাত শুকিয়ে চাল হলে আবার রান্না করে খাব। এগুলো নষ্ট ভাত। তবুও এই মুহূর্তে জীবন ধারণের জন্য বিকল্প পথ নেই। বাঁচতে হলে এগুলোতেই খেতে হবে। কারণ কেউ আমাদের ত্রাণ দেয় না।

 

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.