Breaking News

প্রে’মিকাকে বিয়ের পর আলাদা সেই কিশোরী!

পটুয়াখালী: নানা নাটকীয়তা শেষে প্রে,মিক রমজানকে কাছে পেলেন নাজনীন আক্তার নছিমন। স্বপ্ন ছিল তার সঙ্গেই আমৃ,ত্যু কাটিয়ে দেবেন। ভাগাভাগি করে নেবেন সুখ-দুঃখ। কিন্তু নাজনীনের সেই স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল। নব এ দম্পতির বা,ধা হয়ে দাঁড়ালো বয়স। তাই বিয়ের পর তাদের আলাদা করে দিয়েছে পুলিশ। পরিণত বয়স না হওয়া পর্যন্ত আলাদাই থাকতে হবে রমজান-নাজনীনকে।

 

রোববার (২৭ জুন) বিয়ের পরদিন বিকেলে নাজনীনকে বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেয় পুলিশ। এর আগে শনিবার রাতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের সেই সমালোচিত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে তালাক দেন কিশোরী নাজনীন। পরে তাকে রমজানের মামাতো ভাই পলাশের জিম্মায় দেওয়া হয়।

 

এরপর সোমবার বিকেলে পলাশের বাড়ি থেকে নাজনীনকে চুনারপুলে বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেয় পুলিশ। এর মধ্যে দুদিন রমজান ও নাজনীন একই ছাদের নিচে ছিলেন। রোববার সকালে ধর্মীয় রীতি মেনে তাদের বিয়ে হয়। নাজনীনের সঙ্গে চেয়ারম্যান শাহিনের বিয়ে হওয়ার পর আ;ত্মহ;;ত্যার চেষ্টা চালান রমজান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

 

 

ততক্ষণের চায়ের কেটলি লুকিয়ে ফেলা হয়েছে। দোকানের ওপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সামনে পুরি-চপ বানানোর দোকানও প্রায় ফাঁকা। মোহাম্মদপুর থানার তিন পুলিশ সদস্য গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে থাকা রিকশা ও দোকানের কর্মচারীদের দোকান বন্ধ করতে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। এসময় দশটিরও বেশি পুলিশের গাড়িবহর সারি বেঁধে চলে গেলে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের রাস্তা ধরে। এতক্ষণ হম্বিতম্বি করা পুলিশ সদস্য স্যালুট জানিয়ে অপেক্ষা করলেন তাদের চলে যাওয়ার। গাড়িবহর চলে যাওয়ার পরে তার কণ্ঠ নরম হলো। তিনি কিছুক্ষণ সেখানে অপেক্ষা করে চলে যেতেই আবারও সব দোকানের জিনিসপত্র জায়গামতো রাখা হলো। যাওয়ার সময় পুরি চপের দোকানিকে বলে গেলেন, ‘কাউকে যদি বসে খাওয়াইতে দেখসি, দোকান বন্ধ।’

 

করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে জারি করা সাতদিনের লকডাউনের প্রথমদিন সারাদিন কেটেছে চোর-পুলিশ খেলা। রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোর দোকান বন্ধ থাকলেও প্রধান সড়ক লাগোয়া গলি বা পাড়ার ভেতরের গলির দোকানপাট সারাদিন খোলা ও বন্ধের মধ্যেই ছিল।

 

পিঠা ভাজতে বসা নারীকে লকডাউনে বের হলেন কেন প্রশ্ন করা হলে তিনি হাসতে হাসতেই বলেন, বের না হলে খাবো কী? কিছু পিঠা বানায়ে বিক্রি যদি হয় একদিনের সদাই হয়। অথচ কথা বলে জানা গেলো, তিনি এই এলাকায় ঝাড়ুদার হিসেবে কাজও করেন। তিনি বলেন, ‘সারাদিন কি বাড়িত থাকা যায়? এইজন্যই বাইর হই। তবে অনেকে সত্যি খাবার পায় না বলেও বাইর হয়।’

 

চা খাচ্ছিলেন সারোয়ার। বাড়িতে চা না খেয়ে দোকানে চা কেন খাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি একটু বিরক্ত হন। এরপর বলেন, ‘বাসায় সিগারেট খাওয়া যায় না। সিগারেট খেতে এসে চা খাচ্ছি। আমি তো গাড়ি নিয়ে বের হইনি। হেঁটে বের হয়েছি’। এধরনের যুক্তি না দিয়ে সাতদিন ঘরে থাকলে সকলের জীবন বাঁচতো বলে মনে করেন কিনা প্রশ্ন এড়িয়ে পুলিশ আসতে দেখে হনহন করে হেঁটে চলে যান বাসার দিকে।

 

শ্যাওড়াপাড়া শামীম সরণির রাস্তার দোকানগুলো সবই আধাখোলা। দোকান খোলা রাখা যাবে না? আধা খোলা রাখা যাবে? প্রশ্ন করা হলে দোকানীরা বলেন, ‘একটু পর পর পুলিশ আসে, আমরা ঝাপ নামায়ে ভেতরে থাকি বা বাইরে বসি। চলে গেলে আধা খুলে রাখি। আমাদেরও কিছু বিক্রি হয়, লোকজনেরও উপকার হয়।’

About admin

Check Also

বোঝার উপায় নেই তিনি গ্রিলকাটা চোরদলের সর্দার!

বসেন সুসজ্জিত অফিসে। পরেন দামি দামি স্যুট, টাই। কথাবার্তা, চালচলন এবং আভিজাত্যের ছাপ দেখে বোঝার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *