Breaking News

স্বামীর বি’রুদ্ধে অ’ন্তঃস’ত্ত্বা স্ত্রীকে গ’লাটি’পে হ’ত্যার অভিযো’গ!

যশোরের অভয়নগরে সুমাইয়া আক্তার তমা (২০) নামে সাত মাসের অ,ন্তঃসত্,ত্বা এক গৃহবধূর র,হস্যজনক মৃ,ত্যু হয়েছে। সোমবার (১৯ জুলাই) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ম,রদে,হ উদ্ধার করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ।

 

ময়না তদন্তের জন্য ম,রদে,হ যশোর ম,র্গে পাঠানো হয়েছে। নি,হতের স্বামী রিয়াজুল ইসলাম সুজনের বি,রুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার তমা চলিশিয়া ইউনিয়নের কোটা গ্রামের আব্দুল জলিল মোল্যার মেয়ে।

 

নি,হতের ভাই সোহাগ হোসেন জানান, ‘প্রে,মের সম্পর্কে এক বছর আগে উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের কাদিরপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে তার বোন তমার বিয়ে হয়। দরিদ্র ঘরের মেয়েকে বিয়ে করায় রিয়াজুলের পরিবার বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে বিয়ের পর ভগ্নিপতি রিয়াজুল তার বোন তমাকে নিয়ে নওয়াপাড়ার ওয়াপদা মোড়ে মোজ্জামেল হোসেনের বাড়ি ভাড়া থাকত।’

 

তিনি আরো জানান, ‘তার ভগ্নিপতি রিয়াজুল একজন বেকার ও ভবঘুরে। টাকার জন্য তার বোনকে প্রায় নি,র্যাতন করত। রবিবার (১৮ জুলাই) ১০ হাজার টাকার জন্য বোনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। অনেক কষ্টে বাবা দুই হাজার টাকা দিলে ওই দিন বিকালে তমা নওয়াপাড়ায় চলে যায়।

 

মধ্যরাতে রিয়াজুল ফোন করে জানায় তমা গ,লায় ফাঁ,স লা,গিয়ে আ,ত্মহ,ত্যা করেছে। আমার বোন আ,ত্মহ,ত্যা করেনি, ওকে গ,লাটি,পে খু,ন করেছে ওর স্বামী রিয়াজুল ইসলাম সুজন। পরে গ,লায় ফাঁ,স দিয়ে আ,ত্মহ,ত্যার না,টক সাজিয়েছে। খুনি রিয়াজুলের ফাঁ,সি দা,বি করছি।’

 

সোমবার রাতে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান মুঠোফোনে জানান, সুমাইয়া আক্তার তমা নামে অ,ন্তঃস,ত্ত্বা এক গৃহবধূর গ,লায় ফাঁ,স দেওয়া ম,রদে,হ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লা,শ যশোর ম,র্গে পাঠানো হয়েছে।

 

ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে হ,ত্যা না আ,ত্মহ,ত্যার ঘটনা। তবে নি,হতের পরিবারের অ,ভিযো,গের ভিত্তিতে রিয়াজুল ইসলাম সুজনের বি,রুদ্ধে নি,য়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার মধ্য রাতের পর থেকে আ,সামি রিয়াজুল প,লাতক রয়েছে।

 

 

একই আদেশে আসামি দিদারুল ইসলাম ওরফে শকুকে জামিন দিয়ে জেল সুপারের উপস্থিতিতে কারাগারে বিয়ের আয়োজন করতে কক্সবাজার জেল কর্তৃপক্ষকে (জেল সুপার) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী আসামি দিদারম্নল ইসলামের সাথে মামলার বাদী সেলিনা বেগমের বিয়ে পড়াতে বলা হয়েছে। এর পর দিদারম্নলকে মুক্তি দিয়ে আদালতকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

 

গতকাল সোমবার চকরিয়া জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক রাজীব কুমার দেব দিয়েছেন এই আদেশ।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী সেলিনা বেগমের কৌঁসুলী চকরিয়া জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের আইনজীবী মো. মিজবাহ উদ্দিন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সেলিনা বেগম আদালতের এই আদেশের ফলে মহাখুশি।

 

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি আদালত এবং বিচারকের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি কল্পনাও করিনি অল্প সময়ের মধ্যে আমি এই ধরনের আদেশ পাবো। বিচারকের মহানুভবতার কারণে আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি এবং আমার তিন মাসের পুত্র মো. তামিম পিতৃপরিচয় পেয়ে গেছে। এজন্য আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে দুই হাত তুলে দোয়া করেছি বিচারকের জন্য।’

About admin

Check Also

চালক প্রাণ দিয়েও ডাকাতদের কবল থেকে রক্ষা করতে পারলেন না বাস

গাইবান্ধা জেলার সীমানা চম্পাগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে হানিফ পরিবহনের একটি নৈশকোচে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.