Breaking News

১০ টাকার নাপা ২০ টাকায় বিক্রি, বেশি দামেও মিলছে না ওষুধ!

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েই চলছে ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, ঠান্ডা, কাশিসহ নানাবিধ রোগের সংখ্যা। ফার্মেসিগুলোতে দেখা দিয়েছে প্যারাসিটামল জাতীয় নাপা ওষুধের সংকট। এতে করে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি আরো বেড়েই যাচ্ছে। ১০ টাকার নাপা ওষুধ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। বেশি টাকা দিয়েও মিলছে না ফার্মেসিগুলোতে প্যারাসিটামল জাতীয় নাপা ওষুধ।

 

সরেজমিনে হাসপাতাল গেট, আরামনগর বাজার, সিমলা বাজার, বাউসি বাজার, বয়ড়া বাজার, স্টেশন এলাকা, সিংগুয়া মোড়, চর জামিরা এলাকা, আদ্রা মাদরাসা মোড়, চর রৌহা বাজার, তারাকান্দি গেট পাড় এলাকা, একুশের মোড়, আওনা পুরাতন ঘাট, মহাদানের চেরাগালির মোড়, পিংনা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।

 

জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সারা দেশে চলছে লকডাউন। উপজেলায় করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলছে। পাশাপাশি প্রায় বাসাবাড়িতে দেখা দিচ্ছে জ্বর, সর্দি, ঠান্ডা, কাশি। হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। সেই সঙ্গে বাড়ছে প্রয়োজনীয় ওষুধের চাহিদা। করোনা আক্রান্ত রোগীর পাশাপাশি সাধারণ রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী নাপা, নাপা এক্সটেন্ড, নাপা এক্সট্রা, এইচ নাপা, নাপা সিরাপসহ প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ। কিন্তু ফার্মেসিগুলোতে মিলছে না এ জাতীয় ওষুধ। কিছু ফার্মেসিতে পাওয়া গেলেও তা দ্বিগুণ দাম দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগীদের। তবে সরবরাহ কম থাকায় সংকট দেখা দিয়েছে বলে ফার্মেসি মালিকরা জানান।

 

আরামনগর বাজারে ওষুধ ক্রয় করতে আসা রবিউল ইসলাম, বেলাল মিয়া, রহিমা বেওয়াসহ আরো অনেকেই বলেন, বাড়িতে একের পর এক সবাই ঠান্ডা জ্বরে ভুগছে। বাজার নাপা ওষধ কিনতে আইছি দাম চায় বেশি। কোনো উপায় না পেয়ে ১০ টাকার ওষুধ ২০ টাকা দিয়েই নিতে হলো।

 

বিভিন্ন এলাকায় ফার্মেসিদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জ্বর, সর্দি, ঠান্ডা কাশির রোগীও বেড়েই চলছে। ওষুধ কম্পানিগুলো নাপা জাতীয় ওষুধ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তাই সংকট দেখা দিয়েছে। বাহির থেকে বেশি দামে ক্রয় করে আনতে হয়। তাই বেশি দামে বিক্রি করা হয়।

 

উপজেলার দায়িত্বে থাকা সিনিয়র অফিসার ফরিদ তালুকদার কালের কণ্ঠকে জানান, বেশ কিছু দিন থেকেই নাপা ওষুধের সংকট। চলতি মাসের শুরু থেকে সেটা আরো বেশি আকার ধারণ করেছে। উৎপাদনের চেয়ে বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় সরবরাহ করা যাচ্ছে না। তবে ফার্মেসিগুলোতে কিছু কিছু ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফার্মেসিগুলো বেশি দামে নাপা ওষুধ বিক্রি করছে সেটা শুনেছি।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা গাজী রফিকুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

 

রবিবার (১১ জুলাই) করপোরেশনের ২-৫, ৯ ও ১০ নম্বর অঞ্চলের আনিকবৃন্দ ও সম্পত্তি বিভাগের দু’জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নগরীর বনশ্রী, আগামসি লেন, সেগুনবাগিচা আরামবাগ, বকশিবাজার, বিবির বাগিচা, ছনটেক, দক্ষিণ দনিয়া, এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অঞ্চল-২ এর আনিক সুয়ে মেন জো’র তত্ত্বাবধানে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা ও ইরফান উদ্দিন আহমেদ অঞ্চল-২ এর আরামবাগ, সেগুনবাগিচা ও বনশ্রী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা ১১ নং ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা ও আরামবাগ এলাকায় ৫০টি ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় আরামবাগের ৭২ নং হোল্ডিংয়ের অগ্রণী ব্যাংকের নিমাণাধীন ভবনকে ১ লাখ ও আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ আজ বনশ্রী, দক্ষিণ বনশ্রী, ফরাজি হাসপাতালের পিছনে ‘এ ব্লক’ থেকে ‘ই ব্লক’ পর্যন্ত এলাকায় ৪৫টি ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় ৩টি ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় এবং ১টি ভবনে পানি জমা থাকতে দেখায় সর্বমোট ৪ মামলায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করেন।

 

অঞ্চল-৩ এর আনিক বাবর আলী মীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বকশিবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে তিনি ১৫টি স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং উমেষ দত্ত রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

 

About admin

Check Also

বোঝার উপায় নেই তিনি গ্রিলকাটা চোরদলের সর্দার!

বসেন সুসজ্জিত অফিসে। পরেন দামি দামি স্যুট, টাই। কথাবার্তা, চালচলন এবং আভিজাত্যের ছাপ দেখে বোঝার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *